Home আইন-মানবাধিকার তানোর থানা মোড়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চাঁদাবাজি

তানোর থানা মোড়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চাঁদাবাজি

184
0
SHARE
Print Friendly, PDF & Email

76545তানোর থকেে প্রতিনিধি  ঃ রাজশাহীর তানোর থানা মোড়ে ওপেন প্রশাসনের সামনে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি । প্রকাশ্যে দাপটের সাথে দুর্ভোগ বাড়ীয়ে সব ধরনের যানবাহন থেকে চাঁদা তুললেও রহস্যজনক কারনে পুলিশ প্রশাসন একেবারেই নিরব ভুমিকায়। চাঁদা আদায় যানবাহনের সিরিয়াল যত্রতত্র লোক উঠানো নামানো নিয়ে প্রায় দিন হট্রগোল লেগেই থাকে। এতে করে চলাচল কারীদের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে । দেখা যায় তানোর থানা মোড় উপজেলা বাসীর প্রান কেন্দ্র । থানা মোড়ের উত্তড় দিকের রাস্তাটি পৌরসভা উপজেলা দিয়ে কলমা , কামারগা , চৌবাড়িয়া সহ ওই সব এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা । পশ্চিম দিকের যোগাযোগের রয়েছে রাস্তা । দক্ষিন দিকে মেডিকেল ,কালিগঞ্জ , চান্দুড়িয়া , হয়ে শহরে যাবার রাস্তা । মোড়ের পূর্ব দিক থানা । থানার  মুল গেটের পশ্চিমে কৃষি ব্যংক , কলেজ । আমনুরা থেকে শহরে যাবার সব বাস থামে মুল গেটের কয়েক হাত দক্ষিনে। ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে থাকছেন যাত্রীরা । বাস থামা মাত্রই চলছে শ্রমিক ইউনিয়নের  নামে চাঁদাবাজি । যেখানে বাস থামে ঠিক তার পিছনে সিএব্জি মিশুক স্ট্যান্ড । চলছে সিরিয়ালের নামে চাঁদা আদায়  । এক কথায় মোড়ের তিন দিকে কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন ওপেন চাঁদাবাজি করছেন । মোড়ে প্রতিটি সময় পুলিশ চলাচল করলেও না দেখার ভান করে থাকেন । কয়েক রকমের চাঁদাবাজ সংগঠনের শ্রমিকরা  প্রকাশ্যে গাড়ী থামিয়ে তুলছেন টাকা । দিন রাত এমন চাদাবাজি হলেও প্রশাসন নিরব থাকায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে । সদরের বেশ কয়েক ব্যক্তি জানান প্রতিটি চাঁদাবাজ সংগঠন থেকে প্রতি মাসে  থানাতে যায় মসোয়ারার টাকা একারনেই পুলিশ নিরব ভুমিকায় থাকেন । তিন রাস্তার দুপাশে অটো , মটারভ্যান, ভুটভুটি দাঁড়িয়ে থাকছে ঘন্টার পর ঘন্টা । সাধারন মানুষের দুর্ভোগ সীমাহীন । ট্রাক মিনিট্রাক মোড়ের মূল পয়েণ্টে দাড় করিয়ে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক দাপটের সাথে রমরমা চাঁদাবাজি করছেন । কোন ট্রাক মিনিট্রাক একটূ তাদের আড়াল হলে দৌড়ে গিয়ে চাদা তুলছেন । সবচেয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষার্থীদের । প্রতিদিন চাদাবাজদের জন্যে স্বীকার হতে হচ্ছে ইভটিজিঙ্গের । কারন সদরে রয়েছে কলেজ, স্কুল, বালিকা স্কুল, কোচিং সেন্টার কয়েকটি । সকল শিক্ষার্থীর যাতায়াত মোড় দিয়ে ।   ইউএন ব্যাপক চেষ্টা করেছিলেন থানা মোড় পরিষ্কার রাখার জন্যে। কিন্তু পুলিশের অসহযোগিতায় সেটাও ব্যর্থ । মিশুক ও স্ট্যান্ডে কোন ধরনের যান রাখা যাবে না । এ মর্মে দু জায়গায় সাইনবোর্ডও মারেন । দুএক দিন যান থাকেনি । আবার আগের নিয়মে চলে এসেছে সব কিছু। বেশ কিছু শ্রমিকরা জানান প্রতি মাসে থানাকে দিতে হয় টাকা। তা নাহলে ওপেন এভাবে চাদাবাজি করা যায় না । এনিয়ে থানার ওসি রেজাউল ইসলাম বলেন আগামী সোমবার থেকে থানা মোড়ে কোন ধরনের চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না ।