Home সারাদেশ হাটহাজারীতে রোহিঙ্গা প্রবণতায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী রোহীঙ্গারা নিবন্ধিত সিম কি ভাবে ব্যাবহার করে...

হাটহাজারীতে রোহিঙ্গা প্রবণতায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী রোহীঙ্গারা নিবন্ধিত সিম কি ভাবে ব্যাবহার করে তা জনমতে প্রশ্ন?

223
0
SHARE
Print Friendly, PDF & Email

876মাহমুদ আল আজাদ হাটহাজারী প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পৌর সদরের বিভিন্ন এলাকায়  চুরি সংগঠিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত এক সপ্তাহে পৌর এলাকার আদর্শ গ্রাম সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গভীর রাতে বিভিন্ন ঘরে ঢুকে মোবাইল ফোন,চাউল,টাকা সহ অন্যন্য জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে  যাচ্ছে। আর এসব কাজে ১০/১২ জনের একটি চক্র রয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়।  দিনদিন চোরের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবনে শংঙ্কা  প্রকাশ করছে স্থানীয়রা। একদিকে রোহিঙ্গা বসবাস বৃদ্ধি অন্যদিকে  চোরের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবনে শংঙ্কা ও হতাশায় পড়ছে স্থানীয় জনগন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের  বরাত জানা যায়, পৌর এলাকার আদর্শগ্রাম, খিলপাড়া, আলমপুর সন্দীপ পাড়া জবলে নুর পাহাড়ে প্রায় বছর ধরে বসবাস করে আসছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। মায়ানমারের রাখাইনরাজ্যে ঘটে যাওয়া হত্যা, ধর্ষণ সহ নির্যাতন নিপীড়নে স্বদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী টেকনাফ উখিয়া ক্যাম্পে থাকার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। তার মধ্যে কিছু দালাল চক্রের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে কৌশলে পালিয়ে এসে পুরাতন রোহীঙ্গাদের সহযোগীতায় বাসা ভাড়া করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। তন্মধ্যে উত্তর চট্টগ্রামের প্রাণণকেন্দ্র হাটহাজারীতেও রোহীঙ্গা জনগোষ্ঠী আশ্রয় নিচ্ছে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে। হাটহাজারী প্রশাসন বিগত মাসে কয়েকটি ঝটিকা অভিযানে প্রায় ৩৭রোহীঙ্গা আটক করে উখিয়া ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন। প্রশাসনে এমন উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
একদিকে রোহীঙ্গা জনগোষ্ঠীদের কারনে স্থানীয় ব্যক্তিরা দৈনিক কাজের ৫/৬শত টাকা কাজের বাবত পেত। তা রোহীঙ্গারা ২.৫/৩ শত টাকা দিয়ে কাজ করে দিচ্ছে। যার কারনে স্থানীয়দের কাজে নিচ্ছেনা মালিকপক্ষ। তারাও চাই অল্প টাকা দিয়ে কাজ করাতে। শত শত লোক বেকার বসে থাকে বলে স্থানীয় আহমদ  জানান। যার কারনে চোরের উৎপাত বাড়ছে বলেও শংঙ্কা প্রকাশ করেন। রোহিঙ্গারা কি ভাবে মোবাইল নিবন্ধিত সিম ব্যাবহার করে তা নিয়েও প্রশ্ন স্থানীয়দের।
সরেজমিনে  গিয়ে  পৌর এলাকার আদর্শ গ্রাম দক্ষিন পাহাড়ের প্রবাসীর স্ত্রী ইয়াসমিন প্রতিবেদককে বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ৬/৭ জন লোক মুখোশ পড়ে ঘরের দরজার সামনে এসে মহিলার কন্ঠ দিয়ে দরজা খুলতে বল বলে। তারা কে জিজ্ঞাসা করলে বলে মানুষ। আমি জানালার ফাঁক দিয়ে উকি দিলে দেখি মুখোশপরা কয়েকজন লোক। কাচা মরিচ লাগবে বলে দরজা খুলতে বললে পাশের এক ঘরে ফোন করে বললে তারা আসার আগেই গালিগালাজ করে পালিয়ে যায়। এর আগেও আমার ঘর থেকে রান্নার পাতিল চাউল টাকা চুরি হয়েছে। অন্যদিকে আরেক প্রবাসীর ঘরে ঢুকে মোবাইল টাকা নিয়ে যায়। কোরাবানীর কয়েকদিন আগে নুর হোসেন নামের রিক্সা চালকের ঘর থেকে গরু চুরি করে নিয়ে যায়। সব মিলেয়ে চোরের উৎপাত বৃদ্ধি হওয়ায় জনজীবনে আতংকে ভোগছে এলাকাবাসী। প্রশাসনকে চোরের উৎপাত বন্ধের জন্য এলাকায় রাতে নজরদারী বাড়াতে দাবি জানান স্থানীয়রা।
বিষয়টি নিয়ে অবগত করলে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, এ ধরনের কোন অভিযোগ আমরা পায়নি। অবশ্যয় পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় রাতে টহল দিচ্ছে। অভিযোগ পেলে আমরা আইনানুগত ব্যবস্থা গ্রহন করব নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ বদ্ধ পরিকর।